নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 168 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নৌযান শুমারি ২০২৬। এ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন। সভায় নৌযান শুমারির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক সাইফুল আহমাদ এবং জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রেজাউল করিম। এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহেদুল ইসলামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট দেশব্যাপী নৌযান শুমারি পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানসহ নির্ধারিত অন্যান্য নৌযানের একটি সমন্বিত ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে।
ইতোমধ্যে রাজবাড়ী জেলায় প্রাথমিক তালিকাভুক্তির কাজ শেষে ৫টি জোনে ৫৯টি ঘাট ও ৪৬টি গণনা এলাকায় শুমারির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় ৪০ জন গণনাকারীর মাধ্যমে ২ হাজার ৭৭৩টি নৌযানের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, নৌযান শুমারির মাধ্যমে নৌযান খাতের সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। এ তথ্য ভবিষ্যতে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন ও পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্প পরিচালক সাইফুল আহমাদ বলেন, শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযানের একটি নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে। এতে নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্ঘটনা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নৌযানের সঠিক পরিসংখ্যান ও মালিক-শ্রমিকদের তথ্যভান্ডার তৈরির পাশাপাশি নৌদুর্ঘটনা পরবর্তী প্রকৃত ভুক্তভোগীদের শনাক্তকরণ, নাবিকদের প্রশিক্ষণ এবং নৌপরিবহন খাতের নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নেও এ শুমারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় মাঠপর্যায়ে শুমারি কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, নৌযান মালিক, মাঝি-মাল্লা ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়। এরপরে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাট থেকে নৌ র্যালীতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক সহ অন্যান্যরা ।