ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 177 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

সিলেটের ভোলাগঞ্জে সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পদ শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে গত ২৫ নভেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম SCSC NEWS-কে নিশ্চিত করে বলেন, “সাদাপাথর লুটপাট মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”
নকল খাদ্যপণ্য কেলেঙ্কারিতে বড় ধরনের অভিযান
দুদকের মামলার মুখে শেখ রেহানার স্বামী শফিক আহমেদ
সাবেক মেয়র তাপস ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ
দুদকের পাঠানো এক চিঠিতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন এবং কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কাজী আবদুল ওদুদ আলফু মিয়ার নামে সিলেট শহরে থাকা সম্ভাব্য স্থাবর সম্পদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এমদাদ হোসেন চৌধুরী SCSC NEWS-কে বলেন, “আমার এই বিষয়ে কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। দুদকের চিঠির বিষয়টি আমি জানি না, এবং এটি একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ।”
দুদকের অভ্যন্তরীণ এক সূত্রে জানা গেছে, সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) করা একটি মামলায় ইতিমধ্যে সাহাব উদ্দিন ও আবদুল ওদুদ আলফু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যদিও তারা পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেছেন, “এই চিঠি সম্পর্কে এখনও আমাদের অফিসিয়াল যোগাযোগ হয়নি। আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় দুদকের যেকোনো চাহিদা পূরণে সহযোগিতা করব।”
দুদক সূত্র জানায়, সংগৃহীত তথ্য ও সম্পদের বিশ্লেষণ শেষে প্রমাণ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হবে।