নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 384 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

একটি দেশের উন্নতির মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা। কিন্তু শিক্ষা কেবল বইয়ের জ্ঞান নয়, এটি হলো মানুষকে মানবিক ও সচেতন করে তোলার এক অবিরাম প্রক্রিয়া। আজকের প্রজন্ম যদি সচেতনভাবে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়, তবে দারিদ্র্য, কুসংস্কার ও সামাজিক বৈষম্য দূর করা সম্ভব।
জাতিসংঘের (UNESCO) মতে, শিক্ষা শুধু তথ্য নয়, এটি পরিবর্তনের হাতিয়ার। একজন শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, অন্যদিকে অশিক্ষা সমাজে সৃষ্টি করে বিভ্রান্তি ও অসহিষ্ণুতা।
“পথশিশু আশ্রয় কেন্দ্র” দীর্ঘদিন ধরে পথশিশু ও অসহায় শিশুদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছে। তারা শুধু পাঠদানের ব্যবস্থা নয়, পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবতা ও সামাজিক সচেতনতা সম্পর্কেও নিয়মিত সেমিনার ও কর্মশালা পরিচালনা করছে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মুহাঃ মীযানুর রহমান আদীব বলেন,
“শিক্ষা তখনই মূল্যবান, যখন তা মানুষকে চিন্তা করতে, প্রশ্ন করতে ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে শেখায়।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা চাই প্রতিটি শিশু শুধু পড়াশোনা করুক তা নয় — বরং তারা যেন সচেতন, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।”
বর্তমান ডিজিটাল যুগে সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। ভুয়া তথ্য, অনলাইন আসক্তি, পরিবেশ দূষণ বা মানসিক স্বাস্থ্যের মতো ইস্যুতে সচেতনতা তৈরি এখন সময়ের দাবি। শিক্ষা ও সচেতনতার সমন্বয়ই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ, নৈতিক ও উন্নত সমাজ গঠনে সক্ষম করতে।