ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 354 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ফেসবুকের নিউজফিড জুড়ে হঠাৎ ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ লেখা সিম্পল পোস্টের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে, যা রাজনৈতিক দলগুলোর নতুন প্রচারণামূলক কৌশল। এটি জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে মতামত সংগ্রহের অংশ, যা ২৯ অক্টোবর থেকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। বিএনপি ও ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে এই ‘প্রতিযোগিতা’ দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে।
এই ‘হ্যাঁ না’ পোস্টের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে ২৯ অক্টোবর ২০২৫ থেকে, যখন লোকাল টাইমে মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক সরগরম হয়ে ওঠে। এটি গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে নতুন প্রচারণার অংশ, যা ইন্টারিম গভর্নমেন্টের নির্বাচন রোডম্যাপ ঘোষণার পর থেকে তীব্র হয়েছে। বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণভোটের বিপক্ষে ‘না’ পোস্ট করে প্রচারণা শুরু করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়। অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ‘হ্যাঁ’ পোস্ট হয়, যা গণভোটের পক্ষে সমর্থন সংগ্রহ করে।
উৎপত্তির মূল কারণ হলো রাজনৈতিক বিভক্ততা: বিএনপি গণভোটের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে, কারণ তারা এটাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে মনে করে। ছাত্র আন্দোলন এটাকে সমর্থন করে, যা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশ। ফেসবুকের অ্যালগরিদম এই সিম্পল পোস্টগুলোকে প্রমোট করে, যা ফ্যানদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মতো হয়ে উঠেছে। X (টুইটার)-এও #হ্যাঁ #না ট্রেন্ডিং হচ্ছে।
“ফেসবুকের নিউজফিড জুড়ে হ্যাঁ না পোস্টের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এটি গণভোটের নতুন প্রচারণা।”
— খবরসংযোগ, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে এই পোস্টগুলো হাজারো শেয়ার হয়েছে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির ‘না’ পোস্ট করেছেন, যা বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ভাইরাল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পেজ থেকে ‘হ্যাঁ’ পোস্ট হয়েছে, যা গণভোটের পক্ষে সমর্থন সংগ্রহ করছে। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে, যা ভোটারদের মতামত প্রভাবিত করছে।
প্রভাব: সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভক্ততা বাড়ছে, ফ্যানরা কমেন্টে তর্ক করছে। মিডিয়া (খবরসংযোগ, যুগান্তর) এটাকে ‘প্রতিযোগিতা’ বলে কভার করছে। এটি নির্বাচনের আগে গণভোটের বিতর্ককে তীব্র করছে।
| দল/সংগঠন | পোস্টের ধরন | উদ্দেশ্য |
|---|---|---|
| বিএনপি/ছাত্রদল | ‘না’ | গণভোটের বিপক্ষে প্রচার |
| ছাত্র আন্দোলন | ‘হ্যাঁ’ | গণভোটের পক্ষে সমর্থন |
রেমিট্যান্স ছাড়া দেশের অর্থনীতি টিকতো না: রোমে প্রবাসীদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস
নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ১২৭টি পদে পুনর্নিয়োগের সুযোগ
এই প্রচারণার উৎপত্তি রাজনৈতিক বিভক্ততা থেকে: ইন্টারিম গভর্নমেন্টের রোডম্যাপে গণভোটের বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিএনপি এটাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে মনে করে, যখন ছাত্র আন্দোলন এটাকে জনগণের মতামতের উপায় বলে সমর্থন করে। ২৯ অক্টোবর থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘না’ পোস্ট করে প্রচার শুরু করে, যা ছাত্র আন্দোলনের ‘হ্যাঁ’ পোস্টের সাথে প্রতিযোগিতা তৈরি করে। এটি ফেসবুকের অ্যালগরিদমের সাহায্যে ছড়াচ্ছে, যা সিম্পল কনটেন্ট প্রমোট করে।
মূল কারণ: ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি। গণভোটকে নির্বাচনের আগে জনমত সংগ্রহের টুল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতির নতুন ট্রেন্ড, যা ভোটারদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করছে।
SCSC NEWS | প্রান্তিকদের কণ্ঠস্বর