নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 334 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির এক ক্ষীণ আলো দেখা দিয়েছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের মধ্যে একটি সীমিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
চুক্তির আওতায় ইসরায়েল তার কারাগারে আটক প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন আজীবন সাজাপ্রাপ্ত।
অন্যদিকে হামাস মুক্তি দেবে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দি ও ২৮ জন নিহত ইসরায়েলির মরদেহ।
চুক্তিটি মধ্যস্থতা করছে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র, যারা দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতির পথে আনতে কাজ করছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি গাজায় মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব করবে এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ এনে দিতে পারে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, গাজা সিটি এখনো “অত্যন্ত বিপজ্জনক অঞ্চল”, এবং পূর্ণ শান্তির জন্য আরও পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তাঁর মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভিত্তি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেছেন —
“মানবতার স্বার্থে এই যুদ্ধের অবসান জরুরি। শান্তিই হতে পারে প্রকৃত বিজয়।”
ফিলিস্তিনি বিশ্লেষকদের মতে, বন্দি বিনিময় চুক্তি শুধু মানবিক দিক থেকে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে উভয় পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
এই চুক্তি যদি টিকে থাকে, তাহলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের অস্থিরতা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে