আন্তর্জাতিক ডেস্ক | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 58 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি ফিলিস্তিনি গ্রামে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধিদলের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১৭ অক্টোবর ২০২৬, তাইবেহ গ্রামে জলপাই সংগ্রহের সময় মুখোশধারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা কূটনীতিকদের বহর ও স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলে বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও পোল্যান্ডের কূটনীতিক এবং ফরাসি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ছিলেন। ফ্রান্সের আওলনো-অ্যামেরি শহরের মেয়র বার্নার বাউদু হামলার শিকার হন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনায় একটি বেলজিয়ান কূটনৈতিক গাড়িরও ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়।
বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম প্রেভো এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক, বিদেশি কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও সহিংসতার জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন হামলা প্রতিরোধের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বার্ষিক জলপাই সংগ্রহের মৌসুম চলছে। অনেক ফিলিস্তিনি পরিবারের জন্য জলপাই চাষ ও ফসল সংগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। এ সময় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা কৃষিজমিতে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হলে স্থানীয় মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার অভিযোগ নতুন নয়। তবে বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নকে আরও তীব্র করেছে। কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক রীতিনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংগ্রহ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক, কৃষক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।
| মুহা. মীযানুর রহমান আদীব | SCSC NEWS