নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 96 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দাবানল ও ল্যান্ডসাইড মোকাবিলায় যৌথ টাস্কফোর্স
-সংগৃহীত
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বনাঞ্চলের দাবানল এবং হঠাৎ পাহাড়ি ধস বা ল্যান্ডসাইড মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করেছে আসিয়ান ও মিত্র দেশগুলো। লাওস, ইন্দোনেশিয়া এবং পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে ক্রমাগত পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার ফলে সৃষ্ট বিপর্যয় রুখতে এই সমন্বিত রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত তাপদাহ, দীর্ঘায়িত শুষ্ক মৌসুম এবং অকাল অতিবৃষ্টির ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বনাঞ্চলে দাবানল এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ ধসের ঘটনা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে কেবল একর পর এক বনাঞ্চল বিনষ্ট হচ্ছে না, বরং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, জনজীবন এবং অর্থনীতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি প্রতিরোধে গঠিত নতুন এই টাস্কফোর্সের আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উপগ্রহ প্রযুক্তির সাহায্যে বনাঞ্চলে নজরদারি, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল (র্যাপিড রেসপন্স টিম) গঠন এবং স্থানীয় সম্প্রদায়কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
সংকট উত্তরণে আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় বিশাল অর্থায়নের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে। এই তহবিলের সাহায্যে লাওস ও ইন্দোনেশিয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত বনাঞ্চল পুনরুদ্ধার, ঢালু পাহাড়ের মাটির স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক বনায়ন এবং রিয়েল-টাইম আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম বা আগাম সতর্কতা সংকেত ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। আঞ্চলিক এই যৌথ উদ্যোগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সার্বিক পরিবেশগত সুরক্ষায় একটি বড় ধরনের অগ্রগতির সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবাদটি সম্পাদনা করেছেন: মোহাম্মদ রুবেল হাওলাদার।