Ali | মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | 96 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ উপলক্ষে দেশবাসী এবং বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় নতুন বছরে অতীতের সকল গ্লানি ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিক যুগেও এ দেশের কৃষি ও অর্থনীতি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। বৈশাখী মেলা, হালখাতা ও বর্ণিল শোভাযাত্রার মতো উৎসবগুলো আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে এবং জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করে।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনকল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে:
ফ্যামিলি কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড: সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও ক্রীড়াবিদদের সহায়তায় বিশেষ কার্ড প্রবর্তন।
কৃষি উন্নয়ন: খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষকদের জন্য বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু।
ধর্মীয় গুরুদের সহায়তা: ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।
“নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের সব হতাশা কাটিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।” — তারেক রহমান
বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাতের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের জনগণের উদারতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
পরিশেষে, নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।