ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 321 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ নির্দেশনা ও বিভিন্ন গবেষণায় মাসিকের সময় কিছু সাধারণ ভুল অভ্যাসকে নারীদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা ও নিরাপদ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাবে অনেক নারীই অজান্তে এমন কিছু ভুল করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সময় একই স্যানিটারি প্যাড বা ট্যাম্পন ব্যবহার, যা ব্যাকটেরিয়ার আধার হয়ে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) এবং বিরল হলেও মৃত্যুঝুঁকিপূর্ণ টক্সিক শক সিনড্রোম (টিএসএস) সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গাইডলাইনে বলা হয়েছে, “মাসিককালীন অতিরিক্ত ব্যথা বা রক্তক্ষরণকে কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এগুলো এন্ডোমেট্রিওসিস বা হরমোনজনিত জটিলতার লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে তা প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।”
এছাড়াও অপরিষ্কার টয়লেট ব্যবহার এবং মাসিক ট্র্যাকিং অ্যাপের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ডিজিটাল ঝুঁকিকেও বড় ধরনের সমস্যার উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে গবেষণায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতিপূর্বে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রকাশিত একটি বার্তায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, “প্যাড বা ট্যাম্পন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পরপর বদলানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং কোনো অস্বাভাবিকতা অনুভব করলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।”
বাংলাদেশে বাড়ছে ঘুমের সমস্যা—ঘরোয়া উপায়ে মিলতে পারে সমাধান
বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট বাড়ছে—সচেতনতা জরুরি
স্ট্রেস কমাতে ৭টি সহজ উপায়—চেষ্টা করুন আজ থেকেই
জাতীয় পর্যায়ে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে SCSC NEWS-কে বলেন, “আমরা স্কুল-কলেজসহ তৃণমূল পর্যায়ে নিরাপদ মাসিক স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার চেষ্টা করছি, যাতে ভুল তথ্য ও অভ্যাসের কারণে কেউ স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে না পড়েন।”