নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 259 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

রাজধানীর মহাখালীএলাকার কোরাইল বস্তিতে রাতের বেলা ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১,৫০০ ঘরবাড়ি পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনায় হাজারো মানুষ রাতারাতি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
দুর্ঘটনাটি ঘটে গত রাত সাড়ে এগারোটার দিয়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। বস্তির ঘনবসতি ও দাহ্য নির্মাণসামগ্রীর কারণে মুহূর্তেই আগুন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
ঢাকা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম SCSC NEWS-কে বলেন, “আমাদের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা непрерыв কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বস্তির সংকীর্ণ গলি ও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে উদ্ধারকাজে বাধার সম্মুখীন হতে হয়।”
ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ তদারকি করতে在现场 উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি SCSC NEWS-কে বলেন, “নিকটবর্তী স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য খাদ্য, পানীয় ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুন নাহার বলেন, “আমরা কেবল প্রাণ নিয়ে পালাতে পেরেছি। জীবনের সঞ্চয়, সকল গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সবকিছুই আগুনে পুড়ে灰烬 হয়েছে।”
সামাজিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য, পোশাক ও জরুরি援助物资 সংগ্রহে এগিয়ে এসেছেন। তবে নগর পরিকল্পনাবিদরা এই ঘটনাকে ঢাকার বস্তি ব্যবস্থাপনার systemic ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মোহাম্মদ বলেন, “বস্তিগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা শূন্যের কোটায়। ন্যূনতম অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য অগ্নিকাণ্ডও ভয়াবহ রূপ নেয়।”
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ তহবিল বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু ত্রাণ নয়, স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হোক।