ডেস্ক রিপোর্ট | শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 262 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী, মানবাধিকারকর্মী ও সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম মুখ শহিদুল আলম।
আজ শনিবার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে তাঁর পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
ইসরায়েলের কারাগারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরা শহিদুল আলম বলেন —
“বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও প্রার্থনা আমাকে ফিরিয়ে এনেছে। তবে গাজার মানুষের বেদনা আজও শেষ হয়নি। আমার মুক্তি ব্যক্তিগত, কিন্তু মানবতার মুক্তি এখনও অসম্পূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, গাজায় চলমান সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় থামাতে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
“মানবতা কখনো জাতি বা ধর্মে সীমাবদ্ধ নয়। এখন সময় একসাথে দাঁড়ানোর — নির্যাতিত মানুষের পাশে, যেখানেই তারা থাকুক।”
শহিদুল আলমের মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাশাপাশি তুরস্ক, জর্ডান ও মিশরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষভাবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তাঁর মুক্তি নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছেন বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শহিদুল।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, তাঁর মুক্তি শুধু একজন ব্যক্তির নয়, বরং মানবতার কণ্ঠের মুক্তি।
বিশ্লেষণ:
শহিদুল আলমের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজে এক নতুন আলো জ্বালিয়েছে। মানবাধিকার ও স্বাধীন মতপ্রকাশের সংগ্রামে এটি একটি বড় প্রেরণা হয়ে উঠেছে।
তাঁর প্রত্যাবর্তন মনে করিয়ে দেয় — অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য বলার সাহস কখনো বৃথা যায় না।