ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 158 বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে সংঘর্ষের দৃশ্য।
-ফাইল ছবি
গত রাতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আফগান তালেবান বাহিনী পাকিস্তানি সেনা পোস্টে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, যা পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আফগান বাহিনীর আগ্রাসনের জবাবে “পূর্ণ শক্তি” ব্যবহার করেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক স্থানে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দাবি করেছে যে, তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ২৫টি পোস্ট দখল করেছে এবং ৫৮ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করেছে। পাকিস্তান সরকার এই দাবি অস্বীকার করেছে এবং আফগানিস্তানকে তাদের ভূখণ্ডে পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
এই সংঘর্ষের পর পাকিস্তান তার প্রধান সীমান্ত ক্রসিংগুলো, যেমন তোরখাম ও চামান, বন্ধ করে দিয়েছে। আফগানিস্তান সরকার এই পরিস্থিতিকে “সীমান্তে কোনো হুমকি নেই” বলে অভিহিত করেছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা: এই সংঘর্ষ সীমান্তের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। উভয় দেশের উচিত উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো।
আঞ্চলিক প্রভাব: এই সংঘর্ষের প্রভাব শুধুমাত্র পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রভাবিত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা: কাতার, সৌদি আরব ও ইরানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত উভয় পক্ষকে সংলাপে বসানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা।